Latest News
বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪ ।। ৬ই আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
Home / আইন-আদালত / ঝালকাঠিতে নিখোঁজের পাঁচ বছর পর যুবকের কঙ্কাল উদ্ধার করেছে সিআইডি

ঝালকাঠিতে নিখোঁজের পাঁচ বছর পর যুবকের কঙ্কাল উদ্ধার করেছে সিআইডি

স্টাফ রিপোর্টার :
ঝালকাঠির রাজাপুরে নিখোঁজ হওয়ার পাঁচ বছর পর খাইরুল মীর নামে এক যুবকের কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। বুধবার বিকেলে উপজেলার কানুদাশকাঠি গ্রামের একটি মসজিদের পেছন থেকে এ কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। মাদক ব্যবসা নিয়ে বিরোধের জেরে তাকে চারজনে মিলে হত্যা করে লাশ মাটি চাপা দেওয়া হয়। রাতে ঝালকাঠি সিআইডির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সহকারী পুলিশ সুপার মো. এহসানুল হক এ তথ্য জানান। পাঁচ বছর পর হলেও ঘটনার ক্লু উদঘাটন করায় সিআইডির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের পাশাপাশি আসামিদের ফাঁসি দাবি করেছেন মামলার বাদী সিরাজুল ইসলাম সিরাজ।
সিআইডি জানায়, ২০১৭ সালের ৯ সেপ্টেম্বর রাজাপুর উপজেলা সদরের বাইপাস এলাকার বাড়ি থেকে খাইরুল মীরকে মোবাইল ফোনে নলবুনিয়া গ্রামে ডেকে নেয় ফোরকান নামে এক মাদক ব্যবসায়ী। নলবুনিয়া গ্রামের মনির হোসেনের বাড়িতে বসে খাইরুল মীরকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। ফোরকান, সোহাগ, মনির ও গিয়াস মিলে তাকে হত্যা করে। পরে তাঁর লাশ মনিরের বাড়ির পাশে মাটি চাপা দেয় তারা। ঘটনার এক মাস পরে ওই চারজন মিলে লাশ তুলে পাশের গ্রাম কানুদাশকাঠি গ্রামের একটি মসজিদের পেছনে বাঁশঝাড়ের মধ্যে পুনরায় মাটি চাপা দেয়। এ ঘটনা লুকিয়ে দেখে ফেলেন কানুদাশকাঠি গ্রামের মিজান হাওলাদার মিজু নামের এক ব্যক্তি। খাইরুল মীরকে অপহরণের পর গুম করা হয়েছে বলে ধারণা করছিল তাঁর পরিবার। এ ঘটনায় খাইরুলের ছোট ভাই সিরাজুল ইসলাম সিরাজ বাদী হয়ে ২০১৭ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর রাজাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওই বছরের ২৬ ডিসেম্বর মামলাটি সিআইডির কাছে হস্তান্তর করা হয়। সিআইডির উপপরিদর্শক (এসআই) বাবুল হোসেন মামলাটি তদন্ত করেন। তদন্তকালে তিনি ঘটনার ক্লু উদঘাটন করতে সক্ষম হন। মোবাইল ফোনের কল লিস্টের সূত্র ধরে গত ৩ অক্টোবর রাতে কানুদাশকাঠি গ্রামের বাড়ি থেকে সিআইডি মিরাজুল ইসলাম মিজুকে আটক করে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকারীদের সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেন। লাশ কোথায় মাটি চাপা দেওয়া হয়েছে, তা সিআইডিকে জানান মিজু। ঝালকাঠি সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার মো. এহসানুল হকের নেতৃত্বে একটি দল বৃহস্পতিবার বিকেলে কানুদাশকাঠি গ্রামের একটি মসজিদের পেছনের বাঁশঝাড় থেকে খাইরুল মীরের কঙ্কাল উদ্ধার করে।
সংবাদ সম্মেলনে ঝালকাঠি সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার মো. এহসানুল হক বলেন, খাইরুল মীর হত্যাকান্ডের ঘটনায় তিনজনকে অভিযুক্ত করা হবে। ঘটনার পর গিয়াস উদ্দিন দুলাল নামে এক আসামি মারা যাওয়ায় তাঁর নাম বাদ দেওয়া হবে। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মিজান হাওলাদার মিজুকে সাক্ষি করা হবে। আসামিরা পলাতক রয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারের জন্য চেষ্টা চলছে।
পাঁচ বছর পর হলেও ঘটনার ক্লু উদঘাটন করায় সিআইডির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের পাশাপাশি আসামিদের ফাঁসি দাবি করেছেন মামলার বাদী সিরাজুল ইসলাম সিরাজ।

জনতার কণ্ঠ 24 সংবাদ

একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির ঝালকাঠিতে আহ্বায়ক কমিটি গঠন

স্টাফ রিপোর্টার : একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির ঝালকাঠি জেলা শাখার আহ্বায়ক কমিটি গঠিত হয়েছে। …