Latest News
বুধবার, ২৯ মে ২০২৪ ।। ১৫ই জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
Home / জাতীয় / ঝালকাঠিতে ১৩ হাজার মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে, ঝড়ে গাছ পড়ে বসতঘর ও দোকান বিধ্বস্ত

ঝালকাঠিতে ১৩ হাজার মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে, ঝড়ে গাছ পড়ে বসতঘর ও দোকান বিধ্বস্ত

স্টাফ রিপোর্টার :
করোনা দুর্যোগের মধ্যেই সুপার সাইক্লোন আম্ফান নিয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে সুগন্ধা ও বিষখালী নদী বেষ্টিত উপকূলীয় জেলা ঝালকাঠির বাসিন্দারা। সকাল থেকে বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়া বইছে। নদী উত্তাল থাকায় ছোট বড় সবধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নদীতে জোয়ারের পানি বাড়ছে। এতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে সর্বত্র। দুপুরে শহরের কলেজ খেয়াঘাট এলাকায় গাছ উপড়ে পড়ে একটি বসতঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বিধ্বস্ত হয়েছে। ১০ নম্বর মহা বিপদ সংকেতের পর ঝালকাঠি সদর ও অন্য তিনটি উপজেলার ২৭৪টি আশ্রয় কেন্দ্রে ১৩ হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছে বলে জেলা প্রশাসক মো. জোহর আলী জানিয়েছেন। সুগন্ধা ও বিষখালী নদী তীরের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার জন্য মাইকিং করা হচ্ছে। সকাল থেকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হচ্ছে। দুপুরে জেলা প্রশাসক নদীতীরের সাইক্লোন শেল্টারগুলো পরিদর্শনে যান। সেখানে আশ্রিত মানুষের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
সাইক্লোন শেল্টারগুলোতে ৮৩ হাজার মানুষ আশ্রয় নিতে পারবে। এছাড়াও প্রয়োজনে সরকারি বিভিন্ন পাকা স্থাপনা ও প্রতিবেশীর পাকা ভবনেও আশ্রয় নেওয়া যাবে। আম্ফান মোকাবেলায় ৫টি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। ৪০টি মেডিক্যাল টিম গঠন করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। দুর্যোগের প্রস্তুতির জন্য রেডক্রিসেন্ট ও স্বাউটস সদস্যরা কাজ করে যাচ্ছেন। ইতোমধ্যে সুগন্ধা ও বিষখালী নদী তীরের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার জন্য মাইকিং করে লাল নিশানা টানিয়েছে জেলা তথ্য অফিস, রেডক্রিসেন্ট ও স্বাউকটস সদস্যরা।
ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক মো. জোহর আলী বলেন, এখন পর্যন্ত ১৩ হাজার মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে উঠেছেন। মানুষের যেন ক্ষতি না হয়, সেজন্য সন্ধ্যার মধ্যে নদীতীরের মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাদের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্যসামগ্রীর ব্যবস্থা করা হয়েছে। বুধবার চারলাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

জনতার কণ্ঠ 24 সংবাদ

একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির ঝালকাঠিতে আহ্বায়ক কমিটি গঠন

স্টাফ রিপোর্টার : একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির ঝালকাঠি জেলা শাখার আহ্বায়ক কমিটি গঠিত হয়েছে। …